আমাদের এই পথচলার মূল শক্তি হলো আপনাদের বিশ্বাস। বর্তমানে আমরা শুধুমাত্র আমাদের কাছের মানুষ এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের ডোনেশানে কাজ করছি। আপনারা অনেকেই আমাদের পাশে দাঁড়াতে চেয়েছেন, যা আমাদের ভীষণ অনুপ্রাণিত করেছে। আমরা চাচ্ছি সবকিছু স্বচ্ছ এবং প্রাতিষ্ঠানিক নিয়মে শুরু করতে। আমাদের সংস্থার নামে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট তৈরির কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। এটি সম্পন্ন হওয়া মাত্রই আমরা সকলের কাছ থেকে ডোনেশান ও সহযোগিতা গ্রহন শুরু করবো । আপনাদের এই অকৃত্রিম ভালোবাসা আর একটু ধৈর্য আমাদের আগামীর পথকে আরও সুদৃঢ় করবে। সাথে থাকার জন্য কৃতজ্ঞতা।
কল্যাণ ফাউন্ডেশন সম্পর্কে জানুন
ব্যস্ত শহরের যান্ত্রিক কোলাহল, ক্যারিয়ারের ইঁদুর দৌড় আর প্রতিদিনের একঘেয়েমি—এর মাঝেই একদিন আমরা কয়েকজন বন্ধু থমকে দাঁড়ালাম। নিজেদের হৃদয়ের কাছে প্রশ্ন করলাম, 'সবই তো হলো, কিন্তু আত্মার তৃপ্তি কোথায়? আমাদের এই বেঁচে থাকার মাঝে কি বড় কোনো সার্থকতা নেই?' সেই এক চিলতে আত্মোপলব্ধি আর আল্লাহর সৃষ্টির প্রতি ভালোবাসা থেকেই জন্ম নিয়েছে আমাদের এই ছোট্ট স্বপ্নটি। আমরা কোনো করপোরেট সংস্থা নই, বরং একদল সাধারণ মানুষ; যারা বিশ্বাস করে—অন্যের চোখের জল মোছাতে পারার মধ্যেই স্রষ্টার সন্তুষ্টি লুকিয়ে আছে। আমাদের এই যাত্রার পেছনে কোনো ব্যবসায়িক পরিকল্পনা নেই, আছে কিছু দহন করা স্মৃতি। আমরা দেখেছি, একজন অসহায় বাবার কম্পিত হাত যখন ওষুধের দোকানের সামনে টাকার অভাবে শূন্য ফিরে যায়। আমরা শুনেছি, এক মেধাবী শিক্ষার্থীর সেই নিরব হাহাকার, যার রঙিন স্বপ্নগুলো নিছক দারিদ্র্যের কাছে হার মেনে ধূসর হয়ে যাচ্ছিল। এই প্রতিটি দৃশ্য আমাদের রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছে, আমাদের হৃদয়ে গভীর ক্ষত তৈরি করেছে। তখনই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি—আমরা অতিমানব নই, কিন্তু আমাদের যতটুকু সামর্থ্য আছে, তা নিয়েই আমরা ওই মানুষগুলোর ঢাল হয়ে দাঁড়াবো। আমাদের লক্ষ্য কেবল কিছু অর্থ সাহায্য করা নয়; আমাদের মূল চাওয়া হলো একজন ডুবন্ত মানুষকে এই ভরসাটুকু দেওয়া যে— 'প্রিয় ভাই/বোন, এই বিশাল পৃথিবীতে আপনি একা নন; আপনার বিপদে হাত বাড়িয়ে দেওয়ার মতো একদল বন্ধু এখনো বেঁচে আছে।' কারোর জীবনের নিকষ কালো অন্ধকারে সামান্য মোমবাতি হয়ে জ্বলে উঠতে পারাটাই আমাদের সার্থকতা। আমাদের এই অগোছালো কিন্তু আবেগময় পথচলায় আপনি কি আমাদের সাথী হবেন?
আমাদের বর্তমান কার্যক্রমের প্রধান ক্ষেত্রসমূহ:
আমাদের সকল কাজ আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য এবং মানুষের কল্যাণে নিবেদিত। আমরা বিশ্বাস করি যে, সাদাকায়ে জারিয়ার মাধ্যমে আমরা এমন কাজ করছি যা মানুষের মৃত্যুর পরেও তাদের জন্য কল্যাণ বয়ে আনবে।
কারো চোখের জল মোছাতে পারাটাই জীবনের সবচেয়ে বড় সার্থকতা। চলুন, এক সাথে মিলে এমন এক সমাজ গড়ি যেখানে কেউ নিজেকে একা ভাববে না। আমাদের এই পথচলায় আপনাকে পাশে চাই।